~~~~~~~
রাসূল ( সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
আমাদের ও কাফিরদের মাঝে ব্যবধান শুধু সলাতেরই। যে নামায ত্যাগ করলো সে কাফির হয়ে গেলো।
( তিরমিযী ২৬২১; ইবনে মাজাহ ১০৮৮)
১) নামায ত্যাগকারীর নিকট কোন নামাযী মেয়েকে বিবাহ দেয়া বৈধ নয়।
এমনকি বিবাহ সম্পাদিত হলেও তা রহিত বলে গন্য হবে।
তার জন্য উক্ত নামায আদায়কারিণী মহিলা হালাল হবে না।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ
যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা ঈমানদার মহিলা তাহলে তাদেরকে কাফিরদের নিকট পাঠিয়ে দিও না। ঈমানদার নারীরা কাফিরদের জন্য বৈধ নয়। তেমনিভাবে কাফিররাও ঈমানদার নারীদের জন্য বৈধ নয়।
( সূরা মুমতাহিনাহ্ : ১০)
২) নামায ত্যাগকারী কোন পশু জবাই করলে তা খাওয়া জায়েয হবে না।
কারণ, জবাইকৃত পশুটি হারাম হয়ে গেল। তবে নিজ ধর্মে অটল কোন ইহুদী বা খ্রীষ্টান কোন পশু জবাই করলে তা খাওয়া যাবে। তাহলে এটাই বুঝা যাচ্ছে যে, নামায ত্যাগকারীর জবাইকৃত পশু ইহুদী বা খ্রীষ্টানদের জবাইকৃত পশুর চাইতেও নিকৃষ্ট।
৩) নামায ত্যাগকারী ব্যক্তি মক্কা-মদীনা তথা উভয় হারাম শরীফের এলাকায় ঢুকতে পারবে না।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ
হে মু'মিন সম্প্রদায়! মুশরিকরা একেবারেই অপবিত্র। অতএব তারা যেন এ বছরের পর মসজিদুল হারামের নিকটেও আসতে না পারে।
( সূরা তাওবা : ২৮)
৪) নামায ত্যাগকারীর আত্মীয়-স্বজন কেউ মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পদের ভাগ সে পাবে না।
যেমন কোন নামায আদায়কারী ব্যক্তি একটি নামায ত্যাগকারী ছেলে ও একজন নামায আদায়কারী চাচাতো ভাই রেখে মারা গেল তখন তার পরিত্যক্ত পুরো সম্পদের মালিক হবে তার চাচাতো ভাই। তার ছেলে কিছুই পাবে না। কারণ সে কাফির।
উসামা ( রায়িয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ
কোন মুসলমান কোন কাফিরের ওয়ারিশ হতে পারে না। তেমনিভাবে কোন কাফির কোন মুসলমানের ওয়ারিশ হতে পারে না।
( বুখারী ৪২৮৩, ৬৭৬৪; মুসলিম ১৬১৪)
রাসূল ( সাঃ) আরো বলেনঃ
শরীয়তে নির্ধারিত মিরাসের ভাগ টুকু পাওনাদারদেরকে দিয়ে দাও। আর বাকী অংশটুকু নিকটাত্মীয় পুরুষেরই প্রাপ্য।
( বুখারী ৬৭৩২,৬৭৩৫,৬৭৩৭,৬৭৪৬ মুসলিম ১৬১৫)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন