প্রশ্ন ( আদম ও হাওয়া (আঃ)-কে যখন পৃথিবীতে পাঠানো হয় তখন তারা কোন স্থানে অবতরণ করেন?
উত্তর : তাঁদেরকে কোথায় অবতরণ করানো হয়েছিল এ মর্মে কোন স্পষ্ট ছহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। প্রচলিত বর্ণনা সমূহের ছহীহ কোন ভিত্তি নেই।
প্রশ্ন ): ফরয ছালাতের শেষ বৈঠকে আত্তাহিইয়াতু, দরূদ না পড়ে কেউ যদি ঘুমিয়ে যায়, তাহ’লে তার ছালাত হবে কি?
উত্তর : এ অবস্থায় সালাম ফিরিয়ে ছালাত সমাপ্ত করলে তার ছালাত হয়ে যাবে। কারণ ছালাত থেকে বের হওয়ার জন্য সালাম ফিরানো আবশ্যক। আর সালামও যদি না ফিরায় তাহলে তার ছালাত হবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ছালাতের তাকবীর বললে সবকিছু হারাম হয়, আর সালাম ফিরালে সবকিছু হালাল হয় (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩১২)। তাশাহহুদ ও দরূদ ব্যতীত ছালাত হলেও এগুলি পড়া যরূরী। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এগুলো নিয়মিত পড়তেন।
প্রশ্ন : অনেকে পবিত্র কুরআনের কসম করে থাকে। এটা কি শরী‘আত সম্মত? কার নামে কসম করতে হবে?
উত্তর : আল্লাহর নামেই কসম করতে হবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৪০৭; আবুদাঊদ হা/৩২৪৭-৫১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে কসম করে সে শিরক করে (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩৪১৯)। তবে পবিত্র কুরআনেরও কসম করা যায়। কেননা কুরআন আল্লাহর কালাম (বুখারী হা/৭৪১৭-এর পূর্বের আলোচনা দ্রঃ)। আল্লাহর ছিফাত সমূহ দ্বারা কসম করা জায়েয। যেমন আল্লাহর ইযযত ও কুদরতের কসম, তাঁর কালামের কসম ইত্যাদি (বিস্তারিত দ্রষ্টব্য : বায়হাক্বী সুনানুল কুবরা ১০/৪১ পৃঃ, সনদ ছহীহ; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১১৬৭)।
প্রশ্ন ) : পবিত্র কুরআনে সিজদা কয়টি? এ সিজদা কিভাবে করতে হবে?
উত্তর : কুরআনে ১৫ স্থানে সিজদা আছে। সূরা হজ্জে দুই স্থানে সিজদা রয়েছে। ছালাতের সিজদার মত তাকবীর দিয়ে সিজদা করবে এবং দো‘আ পড়ার পর তাকবীর দিয়ে মাথা উঠাবে (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/৫৯৩০; বায়হাক্বী ২/৩২৫; সনদ ছহীহ, আলবানী, তামামুল মিন্নাহ পৃঃ ২৬৯)।
প্রশ্ন : ফরয ছালাতের এক্বামত হলে সুন্নাত ছেড়ে দিয়ে জাম‘আতে শরীক হতে হয়। কিন্তু ছেড়ে দেয়া সুন্নাত পড়তে হবে কি?
উত্তর : পরে পড়ে নিতে হবে (মুওয়াত্ত্বা মালেক, সনদ মুরসাল ছহীহ, মিশকাত হা/৬৮৭)। তবে পূর্বের ছালাতের জন্য সে পূর্ণ নেকী পাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৮৬)। ফজরের সুন্নাত ক্বাযা হ’লে জামা‘আতে ছালাতের পরেই তা পড়া যাবে (আবুদাঊদ হা/১২৬৭; তিরমিযী হা/৪২২; ইবনে মাজাহ হা/১১৫৪; মিশকাত হা/১০৪৪)।
প্রশ্ন ) : ছিয়াম পালনকারী মহিলার সূর্য ডোবার পূর্ব মুহূর্তে যদি ঋতু আসে, তাহ’লে তার ছিয়াম নষ্ট হবে কি? নষ্ট হ’লে ঐ ছিয়ামের ক্বাযা করতে হবে কি?
উত্তর : উক্ত সময়ে ঋতু শুরু হ’লে ছিয়াম বাতিল হবে এবং পরবর্তীতে তাকে ঐ ছিয়াম পালন করতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, ঋতু অবস্থায় আমাদেরকে ছিয়াম ক্বাযা করার এবং ছালাত ছেড়ে দেয়ার আদেশ দেওয়া হ’ত (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩২, ‘ক্বাযা ছিয়াম’ অনুচ্ছেদ)। তবে ছুটে যাওয়া ছিয়ামের সে পূর্ণ নেকী পাবে। কারণ সে নেকীর আশায় ছিয়াম শুরু করেছিল (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৩৭৪ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায় ৫ অনুচ্ছেদ)।
প্রশ্ন ) : ছালাতে দাঁড়ানোর সময় মুছল্লীর দুই পায়ের মাঝে কতটুকু ফাঁক থাকবে?
উত্তর : কাতারে দাঁড়িয়ে শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য অনুযায়ী পায়ে পা ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে যতটুকু ফাঁক রাখার প্রয়োজন হয়, ততটুকু ফাঁক রাখবে (বুখারী হা/৭২৫; আবুদাঊদ হা/৬৬২)। তাছাড়া দুই পায়ের মাঝে জুতা জোড়া রাখা যায় এতটুকু ফাঁকা রাখার কথা হাদীছে এসেছে (আবুদাঊদ হা/৬৫৪-৫৫, সনদ ছহীহ)।
উত্তর : তাঁদেরকে কোথায় অবতরণ করানো হয়েছিল এ মর্মে কোন স্পষ্ট ছহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। প্রচলিত বর্ণনা সমূহের ছহীহ কোন ভিত্তি নেই।
প্রশ্ন ): ফরয ছালাতের শেষ বৈঠকে আত্তাহিইয়াতু, দরূদ না পড়ে কেউ যদি ঘুমিয়ে যায়, তাহ’লে তার ছালাত হবে কি?
উত্তর : এ অবস্থায় সালাম ফিরিয়ে ছালাত সমাপ্ত করলে তার ছালাত হয়ে যাবে। কারণ ছালাত থেকে বের হওয়ার জন্য সালাম ফিরানো আবশ্যক। আর সালামও যদি না ফিরায় তাহলে তার ছালাত হবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ছালাতের তাকবীর বললে সবকিছু হারাম হয়, আর সালাম ফিরালে সবকিছু হালাল হয় (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩১২)। তাশাহহুদ ও দরূদ ব্যতীত ছালাত হলেও এগুলি পড়া যরূরী। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এগুলো নিয়মিত পড়তেন।
প্রশ্ন : অনেকে পবিত্র কুরআনের কসম করে থাকে। এটা কি শরী‘আত সম্মত? কার নামে কসম করতে হবে?
উত্তর : আল্লাহর নামেই কসম করতে হবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৪০৭; আবুদাঊদ হা/৩২৪৭-৫১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে কসম করে সে শিরক করে (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩৪১৯)। তবে পবিত্র কুরআনেরও কসম করা যায়। কেননা কুরআন আল্লাহর কালাম (বুখারী হা/৭৪১৭-এর পূর্বের আলোচনা দ্রঃ)। আল্লাহর ছিফাত সমূহ দ্বারা কসম করা জায়েয। যেমন আল্লাহর ইযযত ও কুদরতের কসম, তাঁর কালামের কসম ইত্যাদি (বিস্তারিত দ্রষ্টব্য : বায়হাক্বী সুনানুল কুবরা ১০/৪১ পৃঃ, সনদ ছহীহ; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১১৬৭)।
প্রশ্ন ) : পবিত্র কুরআনে সিজদা কয়টি? এ সিজদা কিভাবে করতে হবে?
উত্তর : কুরআনে ১৫ স্থানে সিজদা আছে। সূরা হজ্জে দুই স্থানে সিজদা রয়েছে। ছালাতের সিজদার মত তাকবীর দিয়ে সিজদা করবে এবং দো‘আ পড়ার পর তাকবীর দিয়ে মাথা উঠাবে (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/৫৯৩০; বায়হাক্বী ২/৩২৫; সনদ ছহীহ, আলবানী, তামামুল মিন্নাহ পৃঃ ২৬৯)।
প্রশ্ন : ফরয ছালাতের এক্বামত হলে সুন্নাত ছেড়ে দিয়ে জাম‘আতে শরীক হতে হয়। কিন্তু ছেড়ে দেয়া সুন্নাত পড়তে হবে কি?
উত্তর : পরে পড়ে নিতে হবে (মুওয়াত্ত্বা মালেক, সনদ মুরসাল ছহীহ, মিশকাত হা/৬৮৭)। তবে পূর্বের ছালাতের জন্য সে পূর্ণ নেকী পাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৮৬)। ফজরের সুন্নাত ক্বাযা হ’লে জামা‘আতে ছালাতের পরেই তা পড়া যাবে (আবুদাঊদ হা/১২৬৭; তিরমিযী হা/৪২২; ইবনে মাজাহ হা/১১৫৪; মিশকাত হা/১০৪৪)।
প্রশ্ন ) : ছিয়াম পালনকারী মহিলার সূর্য ডোবার পূর্ব মুহূর্তে যদি ঋতু আসে, তাহ’লে তার ছিয়াম নষ্ট হবে কি? নষ্ট হ’লে ঐ ছিয়ামের ক্বাযা করতে হবে কি?
উত্তর : উক্ত সময়ে ঋতু শুরু হ’লে ছিয়াম বাতিল হবে এবং পরবর্তীতে তাকে ঐ ছিয়াম পালন করতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, ঋতু অবস্থায় আমাদেরকে ছিয়াম ক্বাযা করার এবং ছালাত ছেড়ে দেয়ার আদেশ দেওয়া হ’ত (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩২, ‘ক্বাযা ছিয়াম’ অনুচ্ছেদ)। তবে ছুটে যাওয়া ছিয়ামের সে পূর্ণ নেকী পাবে। কারণ সে নেকীর আশায় ছিয়াম শুরু করেছিল (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৩৭৪ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায় ৫ অনুচ্ছেদ)।
প্রশ্ন ) : ছালাতে দাঁড়ানোর সময় মুছল্লীর দুই পায়ের মাঝে কতটুকু ফাঁক থাকবে?
উত্তর : কাতারে দাঁড়িয়ে শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য অনুযায়ী পায়ে পা ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে যতটুকু ফাঁক রাখার প্রয়োজন হয়, ততটুকু ফাঁক রাখবে (বুখারী হা/৭২৫; আবুদাঊদ হা/৬৬২)। তাছাড়া দুই পায়ের মাঝে জুতা জোড়া রাখা যায় এতটুকু ফাঁকা রাখার কথা হাদীছে এসেছে (আবুদাঊদ হা/৬৫৪-৫৫, সনদ ছহীহ)।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন