বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০১৬

ভদ্র মেয়ে চিনুন ১০ লক্ষণ দেখে !! ভদ্র মেয়েদের এই গুন গুলো থাকবেই

১) ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
২) ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চায় না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।
৩) ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পড়ুক তা তারা চায় না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।
৪) ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।
৫) ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।
৬) ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।
৭) ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে ও এরা সাধারণ ঘরকুনো স্বভাবের বেশি হয়।
৮) ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।
৯) ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না।
১০) ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে।

আসলেই ওই ব্যাকডেটেড, দাঁড়িওয়ালা, আনস্মার্ট ছেলেটা তোমার জন্য নয়।

বাবার পছন্দ করা দাঁড়িওয়ালা (প্র্যাকটিসিং মুসলিম যুবক) ছেলেটিকে ভার্সিটি পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিতা মেয়ের মোটেই পছন্দ হয়নি! বরং মেয়ে তো বাবার উপর রীতিমত ক্ষিপ্ত হয়ে বলল--মেয়ে অগ্নিশর্মা হয়ে বলল- “ওরকম একটা ব্যাকডেটেড, দাঁড়িওয়ালা হুজুর টাইপের, আনস্মার্ট ছেলেকেই তুমি আমার জন্য উপযুক্ত ভাবলে কি করে, বাবা? Have you gone mad??………
ভার্সিটি পড়ুয়া আধুনিক মেয়ের মুখের উপর অসহায় বাবার আর কিছুই বলার থাকলো না। অবশেষে, মেয়ের পছন্দ অনুযায়ী আধুনিক ও স্মার্ট ছেলের সাথেই মেয়েকে বিয়ে দিতে বাধ্য হলেন বাবা!

বিয়ের কিছুদিন পর দেখা গেলো……
মেয়েটার ওই স্মার্ট বর প্রায়ই গভীর রাতে অফিস পার্টির নাম করে বিভিন্ন নাইট ক্লাবে আসা যাওয়া করে, মদের বোতল হাতে ঢুলতে ঢুলতে বাসায় আসে। স্বাভাবিকভাবেই মেয়েটি প্রতিবাদস্বরূপ বলল যে- “বিয়ের আগে মদ খেতে, এখনো খাও?” উত্তরে তার স্বামী বলল যে এসব তার আধুনিকতা ও স্মার্টনেসের অংশ! মেয়েটি আবারো প্রতিবাদ করায় স্বামী তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করলো!
অন্যদিকে ওই ব্যাকডেটেড, আনস্মার্ট, ধার্মিক দাঁড়িওয়ালা ছেলেটাও অন্য একজনকে বিয়ে করে নিল।
তোমার নিজের পছন্দ করা স্মার্ট ও আধুনিক বর যখন রাতের বেলা মদের বোতল হাতে ঢুলতে ঢুলতে ঘরে ঢুকছে, তোমার উপর অন্যায়ভাবে নির্যাতন করছে। খোঁজ নিয়ে দেখো, তখন তোমার বাবার পছন্দ করা সেই গেয়ো আর আনস্মার্ট, দাঁড়িওয়ালা ছেলেটা স্ত্রীর জন্য “পর্দার বিধান” জাতীয় বই হাতে ঘরে ফিরছে। ঐ ছেলেটা শেষ রাতে নিজের স্ত্রীকে ঘুম থেকে জাগাচ্ছে একসাথে তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য!

তবে এ প্রসঙ্গে মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, “(দুশ্চরিত্রা নারী দুশ্চরিত্র পুরুষের জন্যে; দুশ্চরিত্র পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীর জন্যে; সুচরিত্রা নারী সুচরিত্র পুরুষের জন্যে, এবং সুচরিত্র পুরুষ সুচরিত্রা নারীর জন্যে। লোকে যা বলে এরা তা থেকে পবিত্র; এদের জন্য আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রুযী") আন-নূর-26

সোমবার, ৬ জুন, ২০১৬

দুনিয়া নয় আথিরাত চাই।

আজআমি আল্লাহর কাছে অনেক কেদেছি,কেদেছি নিরবে,কেদেছি হাউমাউ করে।কেদেছি এই জন্য যে জীবনের আসাগুলো হয়তো কখোনো পুরন করতে পারবো না এই ভেবে।জীবনে আনেক আসা ছিল একটা মটর সাইকেল কিনবো মাদ্রাসা করবো আপন জোন দের দেখবো আত্মীয় পরিজন অন্য সকল কে দেখবো ইত্যাদি।

আমার আসা হয়তো কখনই পুরন হবে না কারন আমি হারাম খেতে পারবো না। আমার অপিসে সি এন জি ভারা অপিস থেকে ২৫০-৩০০ টাকা প্রায় সবাই বিল করে ৭৫০-৯০০ টাকা আমি বিল করি ২৫০ টাকা।অন্য  যে কোন ভাড়া সবার তুলনায় আমি ভাউচারে অর্ধের্ করি।অনেক টাকার মালামাল কিনতে দিলে হাজার হাজার টাকা আত্মসাত করা যায়। আমি তো আল্লাহকে ভালবাসি তাকে ভয় পায়।আমি তো হারাম খেতে পারবো না।আমি তো অবৈধ ভাবে টাকা আয় করতে পারবো না, তবে কিভাবে আমি ভাল খাবার খাবো,ভালো জায়গায় থাকবো,ভাল ভাল মানুষের সাথে চলাফিরা করবো ?আমি বলদ ,গরিব, পাগল....হয়ে হালাল রিজিক খেয়ে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হয়ে মরতে চাই। সারা জিবনের কোন আসা পুরোন না হয় হোক আল্লাহন ভালবালা তো পা্ব।

আমার খাবার হবে হয়তে পান্তা ভাত ও পুইসাক , যানবহন হবে হতো সারা জিবনের বাস,সাইকেল দুনিয়াতে হয়তো খুব নিকৃষ্ট, আমার জীবন কাটবে ........................।আর লিখতি পারছি না কান্না আসছে,চোখ থেকে পানি পরছে.......