শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৬

কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায়?

***)

স্মার্ট হওয়ার প্রথম শর্ত হলো আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। পোশাক আশাক সুন্দর করেই যে আপনি স্মার্ট হবেন তা হবে না। গুছিয়ে কথা বলা; উপস্থিত বুদ্ধি; পরিষ্কার পরিছন্ন; যে কোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়া এবং নিজের আশে পাশের সম্পর্কে ভালো জানা শোনা থাকা স্মার্ট হওয়ার কিছু অন্যতম দিক। এই সব দিক গুলো নিয়মিত চর্চার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভম।



***)

চটপটে, বুদ্ধিমান, আকর্ষনীয় মানুষকে স্মার্ট বলা যায়। সব তরুনরা স্মার্ট হতে প্রতিযোগিতা করে। কিন্তু বেশীরভাগ তা শুধু বহিরঙ্গেই হয়, অন্তরঙ্গে নয়! অর্থাৎ হাল ফ্যাশনের জামা কাপড়, জুতা-মোজা, সুগন্ধি, প্রসাধনী, চুলের স্টাইল, গায়ের রং, অলংকার, ঘড়ি, মোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ ইত্যাদি নিয়েই বিশ্বব্যাপী তরুনের দল (এমনকি বয়স্করাও) স্মার্ট হবার চেষ্টা করেন! আর নানা মিডিয়া ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাণিজ্যের লাভে ও লোভে অনেক অনৈতিক প্রচার চালিয়ে কোমলমতি তরুণদের ভুল পথে নিয়ে যায়! (যেমন: ফর্সা না হলে স্মার্ট হওয়া যায় না, জীবনে সফল হওয়া যায় না, ইত্যাদি ইত্যাদি )
স্মার্ট শব্দের প্রতিটি ইংরেজি অক্ষর ধরে ধরে সত্যিকার ভাবে স্মার্ট হবার একটা রাস্তা খোঁজা যেতে পারে। এস (S): সিম্পল (simple) - সহজ ভাবে চিন্তা করতে পারা, গুছিয়ে প্রকাশ করতে পারা, সহজ করার জন্য অবিরাম চেষ্টা করা, পড়াশুনা করা; এম (M): মিংলিং (Mingling ): সবার সাথে মিশতে পারা। এ (A): অ্যাকটিভ (Active) - সব সময় সক্রিয় থাকা। আর (R): রেস্পন্সিবল (Responsible ) - দায়িত্বশীল হতে শেখা। টি (T): টেস্টফুল

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন