এই সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। মুত্তাকিদের (যারা
আল্লাহর প্রতি তাদের করণীয়সমূহ সম্পর্কে সচেতন তাদের) জন্য
হেদায়াত। (বাকারা, ০২ : ০২)
আর আমি আমার বান্দার ওপর (কুরআন মাজিদে) বিভিন্ন সময়ে
যা নাজিল করেছি যদি তোমরা সে সম্পকের্ সন্দেহে থাক তবে
তোমরা তার মত একটি ‘সুরা’ নিয়ে আস এবং আল্লাহ ছাড়া
তোমাদের সাক্ষীসমূহকে ডাক; যদি তোমরা (তোমাদের সন্দেহের
ক্ষেত্রে) সত্যবাদী হও। (বাকারা, ০২ : ২৩)
এই কুরআন তো এমন নয় যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ তা রচনা
করতে পারবে; বরং এটি যা (যে ওহি) তার সামনে, তার সত্যায়ন
এবং কিতাবের বিস্তারিত ব্যাখ্যা, যাতে কোনো সন্দেহ নেই, যা
সৃষ্টিকুলেন রবের পক্ষ থেকে। (ইউনুস, ১০ : ৩৭)
এ কিতাব সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। এতে কোনো
সন্দেহ নাই। (সাজদাহ, ৩২ : ০২)
লক্ষণীয় বিষয় হল, এই আয়াতগুলি কাফিরদেরকে কুরআন মাজিদের ভুলত্রুটি,
অসঙ্গতি কিংবা অনৈক্য খুঁজে বের করতে বলে না, বরং কুরআন
মাজিদে একটি সাধারণ সন্দেহের ছায়া খুঁজে বের করতে বলে। মানব
ইতিহাসে এমন কোনো বইয়ের নজির নেই যার লেখক এই দাবি করতে
পেরেছেন। কুরআন মাজিদই একমাত্র গ্রন্থ যা এই দাবি করেছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন